একদিন:
মেয়ে: আব্বু প্লিজ আজকে তুমি আমাদের খাওয়ায় দিবা? নিজে নিজে খেতে ইচ্ছে করছে না।
আমি: স্যরি আম্মু, তোমাদের নিজে নিজেই খেতে হবে। আমাকে বার বার অনুরোধ করো না।

আরেকদিন:
মেয়ে: আব্বু প্লিজ আজকে তুমি আমাদের খাওয়ায় দাও না? প্লিজ?
আমি: আচ্ছা ঠিক আছে, খাওয়ায় দেবো। কোনো দুষ্টুমি নয়। সুন্দর করে খেতে হবে। তোমরা বসে যাও আমি হাত ধুয়ে আসছি।🙂

অন্য আরেকদিন:
ওরা আবদার না করার পরেও আমি নিজে থেকেই বললাম “যাও, আজকে আমিই তোমাদের খাওয়ায় দেবো, ঠিক আছে?”
বাচ্চারা তো মহা খুশি। খুশির চোটে সাথে শর্তও জুড়ে দেয়, “তাহলে গল্প বলতে বলতে খাওয়ায় দিবা কিন্তু।”

মতামত:
একদিন সন্তানদের মুখে-তুলে খাওয়ায় দেইনি সেটা সন্তানের ভালোর জন্য। আরেকদিন তাদের মুখে-তুলে খাওয়ায় দিয়েছি সেটাও তাদের ভালোর জন্য। অন্য আরেকদিন ওরা আবদার না করতেই খাওয়ায় দিয়েছি সেটাও ওদের ভালোর জন্য। যদিও এখানে শুধুমাত্র খাইয়ে দেবার একটা ঘটনা তুলে ধরলাম কিন্তু প্রতিদিনের জীবনে এমন নানা ধরনের কাজকর্ম থাকে মা-বাবা ও সন্তানদের মাঝে। সন্তানদের ভালোটাই মা-বাবাদের target কিন্তু অসচেতন মা-বাবারা অধিকাংশ বিষয়েই imbalanced আচরণ করে থাকেন। Balanced আচরণের দ্বারা target অর্জন করার চেষ্টা করতে হবে।🙂

Click to discuss on Facebook.

This entry was posted in শিশু লালন পালন বিষয়ক. Bookmark the permalink.

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s