প্রশ্ন-উত্তর: কিশোর/কিশোরীর pornography-র প্রতি আসক্তি

প্রশ্ন করেছেন Tahnia Khan 16 August 2012
এই গ্রুপে বেশীরভাগ আলোচনা হয় শিশুদের নিয়ে। কিন্তু আমার বাচ্চারা এখন আর শিশু পর্যায়ে নেই। তারা এখন কিশোর কিশোরী। আমি চাকুরীজীবী মা। বাচ্চা দুটোর প্রয়োজনে তাদের সেলফোন দেওয়া হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ্‌ , এটা নিয়ে কোন সমস্যা হয়নি এখন পর্যন্ত। কিন্তু ইদানীং সেলফোনে পর্নগ্রাফী ব্যাপারটা নিয়ে টিভি বা পেপারে অনেক কিছু দেখছি। আমার বিশ্বাস যে আমার বাচ্চারা এমন কিছু করবে না। আমার মেয়েকে নিয়ে চিন্তা নেই , কারণ সে আল্লাহ্‌র রহমতে যথেষ্ট বুঝে ছোটবেলা থেকেই । আমার ছেলেটাকে নিয়ে চিন্তা। কারণ তাকে সব সময় বুঝাতে হয় আর তারপরেও সে বুঝতে চায় না। ইদানীং তার মাঝে বড় বড় ভাব দেখা যাচ্ছে। আর আমি নিজেও বুঝতে পারছি কেমন যেনো একটা দুরত্ব দেখা দিচ্ছে। তার উপর নজরদারীটা সে মোটেও পছন্দ করে না। আমি সব সময় তাদের বলি, আমাকে ভয় পাওয়ার দরকার নেই, আল্লাহকে ভয় কর। মা হিসাবে আমি খুব চিন্তায় থাকি, কখন কি আবার হয়ে যায়। আমি আমার বাচ্চাদের সাথে অনেক ফ্রেন্ডলি হওয়ার চেষ্টা করি। তারপরেও কোথায় জানি একটা গ্যাপ পাচ্ছি। তা না হলে আমার ছেলে তার ব্যাপারে খোজখবর নিলে এত বিরক্ত হয় কেনো বুঝতে পারছি না। কেউ কি এ ব্যাপারে আমাকে হেল্প করতে পারবেন?


Sabiha Jeetu
teenage সময়টা খুব ভালনারেবল। এই সময় আমরাও পার করে এসেছি- কিন্তু নিজেদের সন্তানদের বেলায় এসে আমরা তাদের অনেকসময়ই বুঝতে ভুল করি। আপা, আপনার লেখা পরে মনে হচ্ছে আপনি সেই ভুলটা করছেন না, যেহেতু আপনি বলেছেন আপনি ওদের সাথে যথেষ্ট ফ্রেন্ডলী। এটা খুব্বই প্রয়োজন। আমি সবসময় বলি সন্তানকে ভালো বানাতে চাওয়ার চেয়ে সন্তানের ভালো বন্ধু হওয়াটা অনেক বেশী দরকার। এই বয়সে খুব স্বভাবতই ছেলে-মেয়েরা হঠাত করে অনেক বেশী বড় হয়ে যায়। হরমোনাল চেঞ্জের কারণে বয়ঃসন্ধি কালটাতে তাই তারা তাদের নিজস্ব একটা জগত তৈরি করে ফেলে যে জগতে সে থাকতে পছন্দ করে কেন্দ্রে বা শিখরে। তাই এই সময় তার জগতে ক্লারো অনুপ্রবেশ সে অনেকক্ষেত্রেই মেনে নিতে পারে না। এই সময় আরেকটা সমস্যা হয়, তা হচ্ছে- সে নিজেকে সবজান্তা মনে করা আরম্ভ করে এবং বড়দের উপদেশকে অমান্য/ অগ্রাহ্য করাটাকে নিজের স্বাবলম্বী হওয়ার বহিঃপ্রকাশ মনে করে।
এই সময়টা মানুষের জীবনে খুব স্পর্ষকাতর একটা সময়। তাই বাবা-মায়ের জন্য এই সময় ছেলেমেয়েদের বুঝাটা খুব প্রয়োজন। তার সমস্যার মূল বের করার চেষ্টা করুন, তার পাশে থাকার চেষ্টা করুন, তার বন্ধু হয়ে তার সব কিছু যাতে সে আপনার সাথে শেয়ার করতে পারে তেমন একটা পরিবেশ আপনি তৈরি করে দিন তাকে। যুগটাকে বুঝার চেষ্টা করুন- যুগের হাওয়ার পরিবর্তন আপনি বা আমি কখনো আটকাতে পারবো না- এই অকাট্য সত্যিটাকে মেনে নিয়ে ছেলেকে ভালো এবং মন্দের বাছ বিচার করতে সাহায্য করুন। আপনার সিদ্ধান্ত বা আপনার ন্নিজের বিচার আপনার ছেলের উপর চাপিয়ে দেভবার চেষ্টা করবেন না কখনোই, বরং তার প্রতিটা সিদ্ধান্ত তাকে নিজ থেকে নেবার জন্য উদ্দবুদ্ধ করুন। তার স্বকীয়তাকে প্রশংশীত করুন। মনে করে দেখেন, আপা, এই বয়সে আপনারও কিন্তু আপনার উপর নজরদারী করাটা মোটেও ভালো লাগতো না- তাই ছেলেকে বোঝান যযে তাকে আপনি বিশ্বাস করছেন এবং এটি তার দায়িত্ব যে বিশ্বাসটি রক্ষা করা। তাকে এই ফিলিংসটা দেন যে তার উপর নজরদারি করা হচ্ছে না। আর আপা, তার সে যখন তার নির্ভরতার স্থানটি আপনার মাঝে পাবে সে দেখবেন আপনার কাছ থেকে কিছু লুকাবে না বরং তার নিজস্ব কথাগুলো সবার আগে আপনার সাথেই শেয়ার করবে- তখন আর নজরদারির খুব একটা প্রয়োজনও নাই। আর হ্যা, আপনি যে জিনিসটা খেয়াল রাখবেন, তা হল, আপনার ছেলে কাদের আথে মিশছে। এই বয়সে বন্ধুমহল কিন্তুয়াপা, একটা বিরাট প্রভাবশালী ভূমিকা পালন করে। তাই ছেলের বন্ধুদের চিনুন, তাদের সাথে মিশুন, বন্ধুদের অভিভাবকদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখুন। বাইরে গিয়ে আড্ডা মারার চাইতে ছেলে বলুন বাসায় ঘন্টার পর ঘন্টা আড্ডা মারতে- এবং তাদের সেরকম পরিবেশ / সাপোর্ট নিশ্চিত করুন।
আমার বিশ্বাস আপনার ছেলে অনেক ভালো একটা ছেলে হয়ে বড় হয়ে উঠবে। কেবল তাকে বোঝান যে আপনি তার পাশের সবচাইতে আপন মানুষ।


Tahnia Khan
Sabiha Jeetu অনেক ধন্যবাদ। আমি চেষ্টা করবো ইনশাল্লাহ আপনার সাজেশন ফলো করতে। যা বলেছেন আমিও বুঝি, চেষ্টা করি। কিন্তু মাঝে মাঝে খেই হারিয়ে ফেলি। আপনার কথা গুলো রিমাইন্ডারের কাজ করবে। দোয়া করবেন আমার বাচ্চা দুটির জন্য, যেনো আমার জন্য সাদাকায়ে জারিয়া হয়ে যায় তারা।


Shiblee Mehdi
(১)
“এই গ্রুপে বেশীরভাগ আলোচনা হয় শিশুদের নিয়ে।”

Tahnia আপু – সম্ভবত আপনি ইদানীং এর কিছু পোষ্ট দেখে মনে করছেন আমরা শুধু বাচ্চা শিশুর সমস্যা নিয়েই আলোচনা করতে উৎসাহী। কিন্তু বিষয়টি আদৌ তা নয়। আমরা বর্তমান ইয়ুথদের ট্রেন্ড নিয়ে কথা বলেছি, বাংলাদেশের সংস্কৃতি নিয়ে কথা বলেছি, ইয়ুথরা সেলফোনে পর্নগ্রাফিতে আসক্ত হয়ে পড়ছে সেই প্রতিবেদনের উপর ভিত্তি করে আলোচনা করেছি, এই বয়সের বাচ্চার smoking habit নিয়ে কথা বলেছি, লেখাপড়ার চাপ নিয়েও কথা বলেছি। 🙂

তবে আপনি যেমন প্রশ্ন করলেন, এমন প্রশ্ন আসতে থাকলে আমরাও সকলে সেই বিষয়ে আলোচনা করতে পারতাম। আশা করি এখন থেকে আমরা আমাদের সকল বয়সের সন্তানদের নিয়েই আলোচনা করবো। 🙂

(২)
Tahnia আপু, যদিও আপনার প্রশ্নের সাপেক্ষে কিছুটা লিখছি, কিছু কিছু বিষয়ে একটু বিস্তারিত হয়তো লিখবো, কিন্তু not necessary সেটা আপনাকেই বা আপনার সন্তানকে কেন্দ্র করেই বলছি। যেহেতু এই conversation আরো অনেকেই পড়বেন, তাই আমি চেষ্টা করছি আরো নানা বিষয়গুলি একটু তুলে ধরতে। তাই আমার প্রতিটি কথা আপনাকে কেন্দ্র করে নয়। এবার আলোচনায় যাওয়া যাক।

“তারা এখন কিশোর কিশোরী।”
– তবুও প্লিজ ওদের বয়সটা যদি একটু জানাতেন? 🙂

(৩)
“আমি চাকুরীজীবী মা।”

– তারমানে আমি কি ধরে নিতে পারি আপনার হাসবেন্ডও আপনার মতোই চাকুরীজীবী বাবা? যদি তাই হয়, তাহলে একটু জানা দরকার ওদের ছোট বেলাটা কিভাবে গড়ে উঠেছিলো? কার কাছে দিনের সময়টা থাকতো? আপনার বাকি কথায় কেন জানি মনে হচ্ছে আপনারা ওদের ছোট বেলাতেও সঠিক প্যারেন্টিং করার চেষ্টা করেছেন, তাই না?

(৪)
“কিন্তু ইদানীং সেলফোনে পর্নগ্রাফী ব্যাপারটা নিয়ে টিভি বা পেপারে অনেক কিছু দেখছি।” – একদম ঠিক। এই বিষয়টি জানতে পত্রপত্রিকার প্রয়োজন নেই। আমাদের সকলের বাসায় যে টেলিভিশনটি আছে, সেটার বিভিন্ন চ্যানেলই যথেষ্ট। যাই হোক, এ বিষয়ে এই গ্রুপে গত মে-২০১২ তে আমরা হালকা আলোচনা করেছি। আলোচনাটি পড়তে ভিজিট করুন

(৫)
“আমার বিশ্বাস যে আমার বাচ্চারা এমন কিছু করবে না।”

– বিশ্বাস থাকা খুবি দরকার। কিন্তু এমন টা যেন না হয় যে, ছোট বেলা থেকে সন্তানের বিশ্বাস অর্জনের চর্চাগুলি করা হয়নি কিন্তু এখন বড় হয়ে যাবার পর এমনি-এমনি বিশ্বাস করতে শুরু না করে দেই। যেমন অনেক মা-বাবারাই সঠিক প্যারেন্টিং করেন না, বাচ্চার খবর রাখেন না, তাও বাচ্চার কোন দোষে বলে থাকেন:
– “তোমার কাছ থেকে এমনটি আশা করিনি।”
– “তোমার উপর আমার বিশ্বাস ছিলো।”
– “আমার সন্তান হয়ে তুমি এই কাজ করতে পারলে!” ইত্যাদি।

মনে রাখবেন বিশ্বাস স্থাপন এক পাক্ষিক নয়। আমরা মা-বাবারা যেন আমাদের কর্মকান্ডে সন্তানদের সাথে বিশ্বাস ভঙ্গ না করে থাকি, সেটা ম্যারাত্নক গুরুত্বপূর্ণ। Tahnia আপু, যদিও আপনি বিশ্বাস করছেন, তবুও খবর রাখতেই হবে শুধু এটুকু নিশ্চিত হবার জন্য যে, আপনার বিশ্বাস সঠিক, ব্যাস আর কিছু নয়। কারণ মানুষ মাত্রই জীবনের নানা পর্যায়ে ভুল করে বসে আর এই বয়সে ভুল পথে পা বাড়াবার, নতুন কিছু চেষ্টা করার সম্ভাবনা প্রচুর।

(৬)
“আমার মেয়েকে নিয়ে চিন্তা নেই, কারণ সে আল্লাহ্‌র রহমতে যথেষ্ট বুঝে ছোটবেলা থেকেই”

– আল্‌হাম্‌দুলিল্লাহ্‌। তবুও ঐ যে বললাম “খবর একটু রাখতেই হবে শুধু এটুকু নিশ্চিত হবার জন্য যে, আপনার বিশ্বাস সঠিক, ব্যাস আর কিছু নয়।” 🙂

(৭)
“আমার ছেলেটাকে নিয়ে চিন্তা। কারণ তাকে সব সময় বুঝাতে হয় আর তারপরেও সে বুঝতে চায় না।”

– এ কাজটা করে যেতেই হবে আপনাদের। তবে কি পদ্ধতিতে বোঝাচ্ছেন সেটা জানা জরুরী। আমরা অনেক সময় সন্তানদের এমনভাবে বোঝাই যে আসলে ঘ্যানঘ্যান করে থাকি। একটা পর্যায়ে আমাদের কথা ওরা এক কান দিয়ে শুনে আর আরেক কান দিয়ে বের করে দেয়। অথচ আমরা মা-বাবারা মনে করে থাকি, প্রতিদিন এতো বোঝালাম তাও ছেলেটার কোন পরিবর্তন হচ্ছে না। তারমানে আমাদের বোঝাবার style এ সমস্যা আছে। আমরা হয়তো শুধু বলেই যাই আর ও শুনেই যায়। কিন্তু আমাদের উচিত ওকে বোঝাবার চাইতে বরং conversation করা, আলোচনা করা, ওর perticipation নিশ্চিত করা। আমরা সন্তানদের বোঝাতে গিয়ে অনেক সময় rule বানাই, সেটাকে follow করার হুকুম দেই। কিন্তু উচিত, ওকে দিয়েই rule বানানো। এ বিষয়ে আরো বিস্তারিত কথা বলা যেতো এবং এই বিষয়টি ছোট বেলা থেকেই follow কারার নিয়ম।

(৮)
“ইদানীং তার মাঝে বড় বড় ভাব দেখা যাচ্ছে। আর আমি নিজেও বুঝতে পারছি কেমন যেনো একটা দূরত্ব দেখা দিচ্ছে।”

– তারমানে আপনার সন্তান ঠিক আছে। 🙂 সঠিক সময়ে সঠিক গুণাবলি গুলিই প্রকাশ পাচ্ছে ওর ভেতর। কিন্তু এই প্রকাশের সময়ে মা-বাবাদের মেলা মেশার style-টা পাল্টাতে হবে। ‘ও’ আর সেই ‘ছোট্টটি’ নেই। Jeetu আপুর সাথে তাল-মিলিয়ে বলি, ওদের দৃষ্টিতে ওরা জীবনের চরম শিখরে পৌঁছে গেছে। ওরা নিদের একদম পূর্ণ যুবক মনে করে বসে। ওদের পছন্দের বিষয়ে আলোচনা করুন। ওর আগ্রহের ক্ষেত্রগুলিতে আপনারাও involve হোন।

(৯)
“তার উপর নজরদারীটা সে মোটেও পছন্দ করে না। ”

Jeetu আপুর সাথে আমিও একমত। নজরদারী বলতে যা বোঝায় তেমনটির দরকার নেই। আমরা যতো নজরদারী করবো ওরাও ততোই বুদ্ধি আঁটবে সেগুলিকে ফাঁকি দেবার। বরং ওদের সাথে স্পষ্টভাবে সরাসরি কথা বলুন। আমরা অনেক সময় survent, peon, driver-দের থেকে সন্তানের নানা বিষয়ে জেনে থাকার চেষ্টা করি, এমনটি না করাই ভালো।

(১০)
“বাচ্চা দুটোর প্রয়োজনে তাদের সেলফোন দেওয়া হয়েছে।”

– সেলফোন দিয়েছেন ভালো, কিন্তু সেটার ব্যবহার কি শিখিয়ে দিয়েছেন আরো আগে থেকেই? এইতো গত 4-August-2012 তে এই বিষয়েই একটা প্যারেন্টিং মিটিং করলাম। (পড়ুন)

(১১)
“আমি সব সময় তাদের বলি, আমাকে ভয় পাওয়ার দরকার নেই, আল্লাহকে ভয় কর।”
– এই বিষয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা সেশন করা যাবে যদি আপনারা effective পদ্ধতিতে না করে থাকেন। আর যদি effective পদ্ধতিতে করে থেকে থাকেন, তবে তো কথাই নাই। এই যে, আল্লাহ্‌র ভয় নিয়ে বলছেন, এটা কি ইদানীং বলছেন নাকি ওরাও ছোট বেলা থেকে ওদের মা-বাবাকে কম-বেশী আল্লাহ্‌র ভয়ে ভীত দেখেছে? আমি ধরে নিচ্ছি আপনার সন্তানরা ছোট বেলা থেকেই পরিবারে islam practice করতে দেখেছে। যাই হোক, এই গ্রুপে আমরা কিছু দুয়া নিয়ে আলোচনা করেছিলাম। এগুলি পড়ে দেখুন:
(ক) https://www.facebook.com/groups/shishu.lalon.palon/permalink/414138938606293/

(খ) https://www.facebook.com/groups/shishu.lalon.palon/419239318096255/

(গ) https://www.facebook.com/groups/shishu.lalon.palon/permalink/421581654528688/

আমার এই কথাগুলি সকলের জন্য। আমি যেটা প্রায় প্যারেন্টিং মিটিং-এ বলে থাকি ধর্ম বিষয়ে এই যে, অনেক মা-বাবারা আছেন যারা নিজেরা islam practice করেন নাই সন্তানদের ছোট বেলায় (মানে সন্তান তার মা-বাবাকে islam practice করতে দেখে নাই) কিন্তু সন্তানরা যখন বড় হয়ে যায় (ধরে নিলাম কিশোর বা যুবক) তখন মা-বাবারা আরো বয়সে চলে যায় ও অনেকেই ধার্মিক হয়ে যায় এবং সন্তানদেরকেও ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানগুলি পালন করার জন্য ফোর্স করে থাকে। ৫ ওয়াক্ত নামাজ নিয়ে সবচেয়ে বেশি বিরক্ত হয় এই কিশোর-কিশোরীরা। আর যে মা-বাবারা বড় বয়সে এসে সন্তানদের ফজর নামাজের বিষয়েও হঠাৎ করে আচমকা বাড়াবাড়ি করেন (যেটা effective পদ্ধতি নয়), তাদের সন্তানদের জান যায়-যায় অবস্থা। মনে রাখতে হবে ধর্ম নিয়ে কাজ কারা হয়নি তার ছোট বেলা থেকে শুরু করে বড় হওয়া পর্যন্ত। আজ হঠাৎ করে তাকে দিয়ে জোর করে সব কিছু আদায় করাবার চেষ্টা করাটা কি ঠিক?

(১২)
“মা হিসাবে আমি খুব চিন্তায় থাকি, কখন কি আবার হয়ে যায়।”

– by any chance এমনটি হয়ে যাচ্ছে নাতো যে, মা হিসাবে আপনি একাই চিন্তা করছেন? ওদের বাবার সাথেও চিন্তার বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করুন। সন্তানদের বিষয়ে আপনাদের দুজনকে একমতে আসতে হবে। তবে effective result পাবার সম্ভাবনা থাকে, otherwise not. মা-বাবা যেন একই বিষয়ে ভিন্ন মতামত না দিয়ে ফেলি সন্তানের সামনে।

(১৩)
“আমি আমার বাচ্চাদের সাথে অনেক ফ্রেন্ডলি হওয়ার চেষ্টা করি। তারপরেও কোথায় জানি একটা গ্যাপ পাচ্ছি। তা না হলে আমার ছেলে তার ব্যাপারে খোঁজখবর নিলে এত বিরক্ত হয় কেনো বুঝতে পারছি না।”

– যেহেতু আপনি/আপনারা চাকুরীজীবী, তাই প্রশ্নটা করছি, আপনি কবে থেকে ওদের সাথে friendly হবার চেষ্টা করছেন? ইদানীং? নাকি কিশোর-কিশোরী হবার পর থেকে? নাকি ওদের ছোট বেলা থেকেই আপনারা দুজন ওদের সাথে friendly? আমার মনে আপনারা ওদের ছোট বেলা থেকেই ওদের সাথে friendly. কিন্তু যদি ইদানীং করে থেকে থাকেন তবে এতো দ্রুত ফলাফল পাবার আশা না করাই উচিত। আর যদি ছোট বেলা থেকেই friendly হয়ে থেকে থাকেন তবে সম্ভবত আপনার friendship style টা এখন পালটাবার সময় এসেছে।

ভালো কথা, আগেই বলে রাখি, আমি কিন্তু আপনার প্রধান প্রশ্নের আলোচনায় করিনি (পর্নগ্রাফী ব্যাপারটা)। একটু সময় করেই করবো। আপাতত শুধু আপনার কথার পিঠে কথা বললাম মাত্র। তবে যদি আমার কোন কমেন্টের সাপেক্ষে আপনার আরো কিছু বলার থাকে, অবশ্যই বলতে পারেন। 🙂


Tahnia Khan
Shiblee Mehdi ধন্যবাদ আপনাকে। আমি ও আমার হাজব্যান্ড দু’জনই কর্মজীবি। আমার খুব ছোটবেলায় বিয়ে হয়ে যায়, s.s.cর পর আর কি। এরপর বাচ্চা দুটো যখন হয় তখন আমি পড়ালেখা করি। এবং তারা স্কুলে যখন ভর্তি হয় তখন চাকুরীতে ঢুকে যাই। আমার যৌথ পরিবার। যেহেতু যৌথ পরিবার তাই নানারকম মত। কিন্তু আমি খুব চেষ্টা করি অন্যদের মনে কষ্ট না দিয়ে নিজের বাচ্চাদের নিয়মের মধ্যে থেকে ইসলামিক ওয়েতে বড় করার। কারণ পরিবারের সবাই একরকম নয়। তাছাড়া তারা আমার আব্বু আম্মুর কাছেও ছোট বেলায় অনেকটা সময় থাকতো আমার পড়ালেখার কারনে। আপনার কমেন্ট পড়ে মনে হলো আমি মনে হয় মাঝে মাঝে ঘ্যানঘ্যান একটু বেশী করে ফেলি। তার মানে আমার স্টাইল চ্যাঞ্জ করতে হবে। আমি কিন্তু তাদের সাথে ভালোই ফ্রি। আর এটা ছোটবেলা থেকেই। যেমন, আমিও কিন্তু আমার বাচ্চাদের কে বলেছি তোমরা যদি কাউকে পছন্দ কর তাহলে আমাকে বলবে , ইদানীং বলি তোমাদের লাইফ পার্টনার খুজতে হলে কি কি পয়েন্ট দেখবে ইত্যাদি। তারা আগে বলতো তারা কোনদিন নাকি বিয়েই করবে না, লজ্জা পেতো। কিন্তু এখন নানা কথা জিজ্ঞেস করে। মানে বাচ্চাগুলো বড় হয়ে যাচ্ছে। আমার প্রব্লেমটা বুঝতে পারছি, সেটা হলো বুঝানোর স্টাইল চ্যাঞ্জ করতে হবে। সমস্যা হলো আমাকে আমার হাজব্যান্ড কেও বুঝাতে হয়। যদিও সে আমি বুঝালে বুঝে এবং সহযোগিতা করে। আপনার লিঙ্কগুলো এখন দেখিনি। সময় করে দেখবো ইনশাল্লাহ। “খবর একটু রাখতেই হবে শুধু এটুকু নিশ্চিত হবার জন্য যে, আপনার বিশ্বাস সঠিক, ব্যাস আর কিছু নয়।” –শুধু এই কারনেই আমার নজরদারি। আমার আরো আরো বেশী সচেতন হতে হবে। আমি আমার আম্মুর সাথেও এ ব্যাপারে কথা বলেছি। আম্মু বলেছে এ সময়টাতে এমন হয় । শুধু তাদের বুঝাতে হবে এখন। আমার মেয়ে আর ছেলের বয়স ১৬-১৫।


Alamgir Hossain
একদিনের ঘটনা বলি,
আমার চাচাত ভাইয়ের বিয়েতে আমি একটু বেশিই উল্লাস করছিলাম; আর আমার মা সেটি দূর থেকে দেখে ফেলেন । সন্ধায় রান্না ঘরে পাশে পিড়িতে বসিয়ে তিনি আমাকে বেশ বুঝালেন । এমনকি বললেন যে, তোমার যদি কখনো কোনো মেয়েকে পছন্দ হয় তো বলবে । কিন্তু কোনো প্রেম কিংবা দুষ্টুমি করবেনা ।
আমার তখন কিশোর বয়স ১৩; ক্লাস সেভেনে পড়ি, খুব লজ্জা লাগছিল তখন । ওই কথাগুলো আজও আমাকে গর্বিত করে ও আনন্দ দেয় এই ভেবে যে- আমার কেউ পছন্দের থাকলে মাকে জনাব । আল্লাহর কসম, এখন পর্যন্ত দুষ্টুমি বা প্রেম না করার অন্যতম কারণ মায়ের খোলামেলা কথাগুলো ।
সুতরাং আমি মনে করি, গঠনমূলক আলোচনাই পারে সন্তানের চরিত্রে সুস্থতা আনতে। আপনার সন্তানের জন্য দোয়া রইলো..


নাজনীন সুলতানা
ছেলেরা একটু স্বাধীনচেতা হয়! তাদেরকে আপনি জোর করে কিছু শোনাতে পারবেন না. আর কিশোর বয়সে তাদের কিছু প্রাইভেসি জ্ঞান তৈরী হয়, নিজস্বতাবোধ তৈরী হয়. তখন তাদেরকে সরাসরি সবসময়ে নজরদারি না করে একটু আড়ালে থেকে নজর রাখা ভাল মনে হয়…. আর সামনাসামনি সাধারনভাবে কোন ব্যাপারগুলো ভাল, কোনটা ভাল না সেসব বুঝিয়ে দিলে ভাল…. মাঝে মাঝে বাচ্চার বন্ধুদের কাছে খোজ খবর নেয়া যেতে পারে, স্কুলের শিক্ষকদের কাছে খোঁজখবর নেয়া যেতে পারে…


Tanya Kamrun Nahar
আরেকটা কথাও মনে রাখতে হবে। আপনি যে সময়ে বড় হয়েছেন, আপনার সন্তানেরা বড় হচ্ছে সম্পূর্ণ ভিন্ন সময়ে।ওদের বয়সে আপনি কোনদিন মোবাইল দেখেন নি, আর ওরা ব্যবহার করছে। আমিও দুটো লিঙ্ক দিলাম। সমুয়ে পেলে পড়তে পারেন। ধন্যবাদ।
১. http://www.somewhereinblog.net/blog/eijeduniya/29465909
২. http://www.somewhereinblog.net/blog/eijeduniya/29532767


Shomoy Ashomoy
সময়েরঅভাবে সবগুলো comment পড়তে পারলাম না , বিশেষ কিছু লিখতেও পারছি না। Shiblee Mehdi ভাইয়া এবং Sabiha Jeetu আপুর কথাগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ। আর সত্যি কথা বলতে কি শিশু বিকাশের সবগুলো ধাপের মধ্যে preteen and teen age time টাতে বাবামাকে খুব বেশি concious থাকা উচিত। কারণ এই বয়সেই শিশুদের শারীরিক এবং সেইসাথে মানসিক পরিবর্তন গুলো ঘটে। develpment- এর এই stage ই next stage এ যাওয়ার transitional priod. এই সময়টাতে তাই ছেলেমেয়ে উভয় শিশুর প্রতি অভিভাবকদের সব বিষয়ে সমান সচেতন থাকতে হয়,সচেতন থাকাটা খুবই জরুরি।

আর আরেকটা কথা, Tahnia Khan আপু, আপনার সন্তানরা মানে সব কিশোর কিশোরীরাও কিন্তু শিশু। WHO এর মতে জন্ম থেকে ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত শিশু হিসেবে গণ্য করা হয়।


Tahnia Khan
Shiblee Mehdi ভাইএর ভিডিও লিঙ্কটা ছেলে কে সাথে নিয়ে দেখলাম। যেটা মেয়েকে সাথে নিয়ে দেখেছিলাম। মেয়ের কমেন্ট তো আগেই বলেছি। ছেলে কে জিজ্ঞেস করলাম, ভিডিও দেখে কি মনে হলো তোমার? বাচ্চাগুলো কি ঠিক কাজ করছে ? সে বললো , এহহে এগুলো ঠিক হচ্ছে না। এগুলো ভাল কাজ না। আমি বললাম, তুমি তো আল্লাহ্‌র রহমতে অনেক ভালো ছেলে আলহামদুলিল্লাহ্‌ । তাই তো তোমাকে বিলিভ করে মোবাইল দিয়েছি। অথচ দেখো তোমার পরিচিত( আত্মীয়ের মধ্যে) অনেককেই তাদের বাবা-মা মোবাইল ফোন দেয়নি। এমনকি ল্যান্ড ফোন ও ধরতে দেয় না। তারা লুকিয়ে কথা বলে তাই না। সে বললো , হু। তোমার বন্ধুরাও কি এমন করে। তখন সে ডিটেইলস বললো যে তাদের বন্ধু দের মাঝে মাত্র একটা ছেলে এমন করে। কিন্তু অন্যরা করে না। এরপর আমি বললাম, তারা কি সিগারেট খায় নাকি বা অন্য কোন ড্রাগস নেয়। সিগারেট মাত্র একজন খায়। আর তার নাকি নিজেরো মাঝে মাঝে খেতে ইচ্ছা করে। যদি গুনাহ হয়, এই ভয়ে খায় না। সে আরো বললো, মা, আমি তোমাকে না জানিয়ে অনেক কিছু করতে পারি , তুমি তা জানতেও পারবে না , কিন্তু আমি সে সব কাজ করবো না। আমি অবাক হলাম । আমি বললাম তুমি যে মাঝে মাঝে বিরক্ত হও কিছু জিজ্ঞেস করলে সেটা কিন্তু আমার কষ্ট লাগে, তুমি তো ছোট তাই দুনিয়ার ভাল মন্দ কিছু বুঝলেও সব ভাল মন্দ তো তুমি বুঝবে না। আমি বুঝালাম বাবা-মা হলে আমাদের কি দায়িত্ব পালন করতে হবে , তোমরা বাবা-মা হলে তমাদেরো এমন দায়িত্ব পালন করতে হবে, ইত্যাদি। এটা সপ্তাহ খানেক আগের কথা। একটা পরিবর্তন দেখছি, খুব একটা বিরক্ত হচ্ছে না আল্লাহ্‌র রহমতে। ঠিক করেছি মাসে এটলিস্ট দু/তিনবার সব কিছু নিয়ে খোলাখুলি আলোচনা করবো, বুঝাবো। তাহলে মাথায় সেসব কথা একটা সময় হ্যামারিং এর কাজ করবে বলে মনে হয়।


Shiblee Mehdi
Tahnia আপু, আমি সময় করে উঠতে পারছি না বলে বিস্তারিত লিখার সময়টাই পাচ্ছি না। তবে একদম চুপ করে থাকার চাইতে কিছুটা লিখি।

(ক) সন্তানদের শুধু স্কুল, কোচিং, হোম টিউটর, বই পড়া ইত্যাদির মাঝেই ডুবিয়ে রাখা যাবে না। ওদেরকে সুস্থ্য বিনোদন দিতে হবে। এই বিষয়ে খেয়াল রাখুন।

(খ) ওকে একটা দুটো হবি/শখ এর ডুবিয়ে দিন। ও যা পছন্দ করে এমন হবিতে ওকে সাহায্য করুন। কিছু টাকা পয়সা খরচ করতে হলেও সামর্থ আনুযায়ি করুন।

(গ) আজকাল আমাদের সন্তানরা ঘরের কোন প্রকার কাজে অংশ নেয় না। আসলে আমরাই নিতে দেই না। মনে করি ওর একটাই কাজ, ‘পড়া, পড়া আর পড়া’। ঘরের কিছু কাজ ওর দায়িত্বে দিয়ে দিন। পূর্ন ওর দায়িত্বে। ওকে বুঝতে দিন যে, ঐ কাজটা ওকেই করতে হবে এবং সে সেটা খুব দক্ষতার সাথে করছে সেটাও ওকে বুঝতে দিন। তার ঐ কাজে পরিবারের সকলে খুশী সেটাও বুঝিয়ে দিন। (‘গ’ খুবি গুরুত্বপূর্ন একটা বিষয়)

(ঘ) প্রয়োজনে আপনাদের ফোন তাকে ইউজ করতে দিন এবং মাঝে মাঝে আপনার ফোনে ব্যালান্স নেই/চার্জ নেই দোহাই দিয়ে তার ফোনটিও ইউজ করুন জরুরী কলের কাজে। তার ফোন নিয়ে ঘেঁটে দেখার দরকার নেই কি store করেছে বা করেনি। শুধু এটুকু করলেই হবে।

(ঙ) একই ভাবে আপনার ল্যাপটপ/পিসি প্রয়োজনে তাকে ইউজ করতে দিন এবং সন্তানের ল্যাটপট/পিসিও আপনি মাঝে মাঝে ইউজ করুন। (এর বেশী কিছু নয়)

(চ) সন্তানের পিসি এমনভাবে রুমে রাখুন করুন যেন পূর্ন প্রাইভেসি না পায়।

(ছ) ভালো বিনোদনগুলি পরিবারের সকলে একসাথে উপভোগ করুন। সব সময় যেন এমনটি না হয়ে যায় যে, ওরা ওদের মতো ঘুরে বেড়ায় আর মা-বাবারা তাদের মতো আছে।

** আজ এটুকুই, আরো কথা হবে। তবে গ্রুপের আর সকল সদস্যরাও প্লিজ অংশ নিন। আপনাদের মতামত জানানা। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করুন।


অনেক আলোচনা থেকে কিছু কিছু আলোচনা তুলে ধরলাম এখানে। ফেসবুকে সম্পূর্ন আলোচনা পড়তে এখানে ক্লিক্‌ করুন।

Advertisements
Gallery | This entry was posted in প্রশ্ন-উত্তর, শিশু লালন পালন বিষয়ক. Bookmark the permalink.

প্রশ্ন-উত্তর: কিশোর/কিশোরীর pornography-র প্রতি আসক্তি-এ 3টি মন্তব্য হয়েছে

  1. শিবলী ভাই, আমার ছেলে আমাকে কয়েকদিন আগে জিজ্ঞেস করছে। এইডস কি? ওর বয়স ৯ বছর। আমি নানাভাবে অনেক কিছু বলেছি কিন্তু পুরা বলতে পারি নাই।

    ওদের স্কুলে এইডস নিয়ে শুনে এসেছে।

    • Shiblee বলেছেন:

      সাহাদাত ভাই – আমি কিছুক্ষন পর ঢাকার বাইরে যাচ্ছি। একটু বিজি আছি। এসে আরো একটু বিস্তারিত আলোচনা করবো। কিন্তু আপাতত এটুকু মনে রাখবেন, আপনার কথায় যেন এটা প্রকাশ না পায় এইডস খুব জঘন্য একটা রোগ। এই রোগ হওয়া মানে বলা যাবে না, গোপন রাখতে হবে, এই ধরনের ধারনা যেন একদম না পায়। এইডস এর সাথে পাপের সম্পর্ক তুলে ধরবেন না। এক প্রতিবেদন থেকে জেনেছি মাত্র ৮%-১০% রোগীর এইডস হয় যৌন মেলা মেশা থেকে। অথচ দেখুন আমাদের সমাজে অধিকাংশরাই মনে করে ৯০% এইডস রোগীরাই অবৈধ যৌন মেলামেশা করতো। এইডস রোগীকে ঘৃনা করার দরকার নেই সেটাও বুঝিয়ে বলবেন। কিভাবে এইডস ছড়ায় সেটাও আপাতত বলুন। যাই হোক, আমি ঢাকায় এসে একটু ফ্রি হলেই এই বিষয়ে আরো জানাতে চেষ্টা করবো।

      ভালো কথা, আপনার ৯ বছরের ছেলেকে কি “ভালো আদর – মন্দ আদর” বিষয়ে জ্ঞান দিয়েছেন? অনেকেই শিশুদের খুব মন্দভাবে আদর করে থাকে। ছেলে ও মেয়ে উভয় শিশুরাই এমন মন্দ আদরের ভিকটিম হয়ে থাকে। আমার মেয়েদের সাথে অলরেডি এই বিষয়ে আলোচনা করেছি।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s