আমার আত্নবিশ্বাস ও শিশুর আত্নসম্মান

– এই যে ভাই, আমার এই বক্স দুটি একটু সাবধানে রাখতে হবে। এতে কিছু জিনিষপত্র আছে। চাপ খেলে নষ্ট হয়ে যাবে।
– ঠিক আছে স্যার আমি বরং এদুটিকে সামনের দিকে রাখি।
– সেটাই ভালো হয়। একটু সামনেই রাখেন ভাই।

অনেকটা এভাবেই আমার আর বাস-হেল্পারের ভেতর কথা হচ্ছিল আমার দুটি Box স্বযত্নে রাখা নিয়ে। অফিসের annual পিকনিকে বের হয়েছি আমরা। বরাবরের মতো আমার responsibility মজার event আয়োজন করা। আর সেই আয়োজনে অনেকেই পাবে বিভিন্ন gift. বলতে গেলে সকলের জন্যই একটা কিছু থাকবেই। সেই সকল উপহার আর event চালাবার জিনিষপত্রে ভরা আমার দুটি box. event management নিয়ে আমার ভেতর একটু একটু করে আত্নবিশ্বাস জন্মাচ্ছে। ৪০-৫০ জনের জন্য প্রায় ২-৩ ঘন্টার একটা event করতে অনেক ভাবতে হয়। event পরিকল্পনার সময় এটাও মাথায় রাখতে হয় যে কতো জন male, female, couple, children. প্রত্যেকের জন্য customized event আর gift. কিন্তু এই সব আমার জন্য এখন ব্যাপার না। কয়েকবার event manage করেছি তো, তাই self-confidence অনেক বেড়ে গেছে। বিশেষ করে আরো বেড়েছে যখন কোন এক ৪ দিন ব্যাপী ভ্রমণে প্রায় দেড়শত জনের দুই বেলা নাস্তা আর ২৪ ঘন্টা চা পানের সু ব্যাবস্থা করতে পেরেছিলাম। সেখানে এমন একজন ছিলেন না যিনি আমার management and service-এ খুশি হতে পারেননি। পাঠক, আমি নিজের ঢোল এতো পেটাচ্ছি কেন তা ধিরেধিরে স্পষ্ট বুঝতে পারবেন। প্লীজ একটু কষ্ট করে পড়তে থাকেন। আপাতত আমার ঢোল পেটানো বন্ধ করলাম। যতোটুকু বলার প্রয়োজন ছিলো বলে ফেলেছি।

তো যা বলছিলাম, আমারদের bus সিলেট পৌঁছে যায়। হোটেলে উঠতে উঠতে রাত হয়ে যায়। রুমে ঢুকেই আমার box দুটি নিয়ে ব্যাস্ত হয়ে পড়ি। আমার event আজ রাতেই করতে হবে। event যেন সুন্দর আর আনন্দদায়ক হয় সেটার জন্য দরকার একটা সুন্দর জায়গা। পুরো হোটেলটা ঘুরে দেখলাম ঐ রাতেই। দুটি জায়গাও খুঁজে পেলাম যেখানে আমার অনুষ্ঠান আয়োজন করা যাবে। হোটেল কর্তৃপক্ষের অনুমতিও নিলাম। কিন্তু পেটে ক্ষুধা নিয়েতো আর মজার ইভেন্ট ভালো লাগবে না। তাই dinner শেষ করতে করতেই হোটেল সাউন্ড সিষ্টেমের লাউড স্পীকারে ঘোষণা দিলাম যে, dinner শেষ করে কোথায় সবাইকে একত্র হতে হবে।

Event শুরু। সবাই একত্র হয়েছি। প্রায় ৩৫-৪০জন বসে আছি। যারা আমার বিগত ব্লগগুলি পড়েছেন তারাতো জানেন যে, শিশুদের নিয়ে আমি সব সময় একটু বেশি চিন্তা করি। আর এই পিকনিকে প্রায় ১১জন শিশু ছিলেন যার ভেতর সম্ভবত ৪জন একদম নবজাতক (কয়েক মাসের মাত্র)। বুঝতেই পারছেন, ওনাদের জন্যও অবশ্যই আমার চিন্তা ছিলো। যদিও বড়দের নিয়ে event শুরু করবো কিন্তু আমি সবার আগে ১১জন শিশুদের ঠান্ডা করলাম। কারন আমি জানতাম ওনারা আমার ইভেন্টকে খুব সহজেই নষ্ট করে ফেলতে পারবেন চিৎকার আর কান্নাকাটি করে। আর তাই ওনাদের জন্য যা যা উপহার ছিলো তার প্রায় ৮০ভাগই দিয়ে দিলাম যার যার হাতে। কারো জন্য গাড়ী, কারো জন্য পুতুল, সবার জন্য ছোট ছোট বই, নবজাতকদের জন্য নিরাপদ ঝুনঝুনি, বেলুন ইত্যাদি নানা কিছু। তারপর শুরু হয়ে গেলো বড়দের নিয়ে আমার অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠান নিয়ে আর নাইবা বললাম। প্রায় দেড়-দুই ঘন্টার অনুষ্ঠান শেষে ঘুমাতে গেলাম সবাই।

দুই দিন টানা ঘুরলাম আমরা সিলেটেই। বিভিন্ন জায়গায় ঘুরাফিরা, সুইমিং পুলে গোসল, দুরদুরান্তে বেড়ানো, সাইকেল রাইডিং, বোটিং ইত্যাদি। এদিকে বাচ্চাদের একটা পুরষ্কার দেয়া বাকি থেকে যায়। আমার Plan ছিলো ওদের দিয়ে physical কোন একটা গেম খেলিয়ে শেষ gift গুলি বিতরন করবো। কিন্তু সকল বাচ্চাকে একসাথে পাওয়াটাই মুশকিল হয়ে যাচ্ছিল আমার জন্য। কখনও ৩জন বাচ্চাকে একসাথে পাই তো অপর দুজন ঘুমাচ্ছেন। আবার যখন অপর ৩জন বাচ্চাকে একসাথে পাই তো অপর দুজন খাচ্ছেন। আমার জন্য বড় সমস্যা হয়ে যায় এটাই যে, আমার যমজ বাচ্চাদুটি – না দেয়া উপহারগুলি দেখে ফেলেছিলেন। আর ওনারা জানতে চাওয়ায় আমিও বলে দিয়েছিলাম যে, ওগুলি বাচ্চাদের জন্য। আর এও বলেছিলাম যে, একটা game হবে তারপর ঐ gifts দেয়া হবে। এই দুইদিনে ওনারা দুজন অনেকবার জানতে চেয়েছিলেন কখন হবে ওনাদের খেলা আর কখন ওনারা পাবেন gift? কিন্তু সকল বাচ্চাকে একসাথে না পাওয়ায় আমিও পারছিলাম না আয়োজনটা করতে।

অবশেষে একটাই সুযোগ পেলাম। শেষ দিন। ঢাকায় ফিরবো আমরা। সকলে চেক-আউট করে হোটেলের সামনে অপেক্ষা করছি আর পিকআপে তোলা হচ্ছে আমাদের সকলের লাগেজ। আমি বুঝতে পারলাম অল্প কিছুক্ষনের মাধ্যই সকলে যাত্রা শুরু করবো আর হয়ে যাবো বিচ্ছিন্ন, এই একটাই সময় সকল বাচ্চাকে একসাথে পাবার। আমি আর দেরি না করে ঝট করে ওনাদের চকলেট দৌঁড় দেবার আয়োজন করি। কিন্তু বড়রা সবাই শেষ মূহুর্তের মজার মজার কথা বলায় গ্রুপে গ্রুপে ব্যস্ত বিচ্ছিন্ন ভাবে। সবার মনোযোগ আকর্ষণ করা তখন সম্ভব হবার ছিলো না। তো, আমি ঝট করে শুধু বাচ্চাদের মা-বাবাদের মনোযোগ আকর্ষণ করলাম। আমার বাচ্চাদুটিকেও সাহায্য করতে বললাম যেন ওনারা বাঁকি বাচ্চাদের একটা লাইনে দাঁড় করিয়ে দেন। বাচ্চারা দাঁড়িয়ে গেলেন, দুরে ঝুলন্ত চকলেট নিয়ে দাঁড়ালাম, ভিডিও ক্যামেরাও অন হলো, ওনারা দৌঁড়ে এসে টানাটানি করে পেড়ে নিলেন চকলেট, পেয়ে গেলেন gifts. পুরো কাজটি সম্ভবত ৫মিনিটেই শেষ করলাম। ৫ মিনিটে শেষ হবে না আবার, প্রথমেই নিজের ঢোল কি আর সাধেই বাজালাম! আমার মতো অভিজ্ঞ event আয়োজনকারীর জন্য এটা কোন ব্যাপারী ছিলো না।

এবার আসি একদম আসল কথায়, যার জন্য এই পোষ্টি দিচ্ছি। ঢাকায় ফিরে এসেছি, যোগ দিয়েছি প্রতিদিনের কর্মব্যস্ততায়। অফিস শেষে বাসায় এসেছি। আমার বাচ্চারা (৬ বছর বয়স) আমাকে একটা কথা বললো। আমাদের কথাবার্তা ছিলো অনেকটা এমন:
– আব্বু, তুমি এটা একটা কাজ করলা?
– কী করেছি আম্মুরা?
– (হালকা কাঁদো কাঁদো স্বরে) তুমি আমাদের এমন করে game খেলালা কেন?
– (আমি ধরতেই পারছিলাম না ওদের বিষয়টা) কেন আম্মু, কী করেছি আমি?
– (কেমন যেন এক ধরনের অভিমান আর অভিযোগের স্বরে) তুমি কেমন করে যেন আমাদের game টা শেষ করলা।
– আম্মু, আমি না, ঠিক বুঝতে পারছিনা তোমাদের কথা। একটু না কেঁদে ভালো করে বললে বুঝতে পারবো বলে মনে হয়।
– (এবার না কেঁদে) তুমি সবাইকে ডাক দিলা না। শুধু সব বাচ্চাদের ডাক দিলা। কেমন করে ডাক দিলা? তুমি বললা, এই বাচ্চারা এই লাইনে দাড়াও, ১-২-৩ বললে দৌড় দিয়ে ঐ চকলেট ছিড়ে নেবা। তারপর তুমি ১-২-৩ বললা। আমরা দৌড় দিলাম, চকলেট নিলাম। আর তুমি বললা, এই নাও তোমার পুরষ্কার, এইযে বাচ্চা এটা তোমার পুরস্কার, এই সব বলে দিয়ে দিলা আমাদের gift. (ততোক্ষণে আবার ওদের কান্না শুরু হয়ে যায়) এভাবে কোন খেলা হয়? এভাবে কেউ পুরষ্কার দেয়?
– (আমার বুঝতে আর কিছুই বাকি থাকেনা পুরো ঘটনা) স্যরি আম্মু, আমি সত্যিই স্যরি!
– আর তুমি ঐ দিন কী করলা? (আরেকটা অভিযোগ দিতে শুরু করে ওরা)
– আর কী করেছি সোনামনিরা? (আবার কোন বিষয় বুঝতেই পারছিলাম না আমি)
– ঐ যে, ঐ দিন অনুষ্ঠান শুরু করতেই সব বাচ্চাদের gift দিলা (পাঠক বুঝতে পারছেনতো? প্রথম রাতের কথা বলছে ওরা)। তুমি এমনি এমনি gift দিলা কেন? আমরাতো কিছুই করলাম না, খেলালা না, ছবি আঁকতে দিলা না, কিছু বানাতে দিলা না, শুধু বললা (এবার কন্ঠটা মোটা করে), “এই যে বাচ্চারা এই নাও তোমাদের gift.” তুমি সবাইকে বললা, বাচ্চারা যেন বিরক্ত না করে তাই ওদের gift আগেই দিয়ে দেই। (এবার আমাকে ঝাড়ি মেরে বলে) আমরা কি বিরক্ত করি তোমাদের? (বলেই আবার কান্না শুরু)

৬ বছর শিশুর আত্ন সম্মানের কথা শুনতে শুনতেই আমি বুঝে যাই যে event আয়োজনে আমার সামান্য দক্ষতাও আসেনি আর শিশুর মন বুঝবো সেই সাহাস আমার নেই। দেড়শত মানুষকে শীতকালে ২৪ ঘন্টা গরম চা আর প্রতিদিন দুইবেলা নাস্তায় মোট ৪দিন সন্তুষ্ট রাখতে পারলেও মাত্র ৫ মিনিটেই আমি ১১ জন শিশুর আত্ন সম্মানে আঘাত হেঁনেছি। দিতে পারিনি ওদের সম্মান। বুঝতেই পারিনি যে আমার অমন কাজে ওনাদের আত্ন সম্মানে লাগবে।

পাঠক, আশা করি আর কিছুই বলতে হবেনা আপনাদের, তবুও আরো একটু বিশ্লেষণ করি। দেখুন, প্রথম রাতেই আমি বাচ্চাদের হাতে gift তুলে দেই এমনি-এমনি, যেন ওরা খেলায় খুশি থাকে আর সেই ফাঁকে আমি বড়দের নিয়ে অনুষ্ঠান চালাতে পারি। ওরা হয়তো ওদের খেলনা নিয়ে নাড়াচাড়া করছিলো কিন্তু আসলে বড়দের অনুষ্ঠানটাও খুব ভালো করেই বুঝছিলো। ওরা বুঝে যায় যে, কিছু একটা performance করে award নেয়াতে অধিক আনন্দ ও সম্মান। তারপর শেষ দিনটি নিয়ে ভাবুন। আমি মাত্র ৫ মিনিটে ওদের chocolate দৌঁড় করিয়ে ঝট করে gift দিয়ে দেই। সেটাও ওরা পছন্দ করেনি। কারন ওরা already দেখে ফেলেছে যে পুরষ্কার বিশেষ ভংগিতে একজন আরেকজকে দেয়। কিন্তু ওদের বেলায় শুধুই বিতরণ হয়েছে, যা অবশ্যই ওদের কাছে অপমানজনক।

যাই হোক, একবার ভাবুন যে কেমন নিপুনভাবে শিশুরা লক্ষ্য করে, কেমন সুন্দর করে ওরা বুঝতে পারে, আর সেই বুঝতে পারা থেকেই ওরাও চায় অর্জণ, বিতরণ নয়, ওদেরও আছে কঠোর আত্নসম্মান। আসুন আমরা যেন শিশুকে সম্মান দিতে শিখি এটাও উপলব্ধী করি যে মাত্র ৫ মিনিট quality time কাটিয়েও শিশুকে অনেক কিছু শেখানো সম্ভব। আসুন আমরা আমাদের বাচ্চাদের শুধু শুধু time না দেই বরং quality time দেই।

ছবি: ইন্টারনেট থেকে।

This entry was posted in শিশু, শিশুরযত্ন and tagged . Bookmark the permalink.

আমার আত্নবিশ্বাস ও শিশুর আত্নসম্মান-এ 7টি মন্তব্য হয়েছে

  1. Azad বলেছেন:

    অসাধারণ লেখা !

  2. Nusrat Rahman বলেছেন:

    Super like! thanks!

  3. Sanjida বলেছেন:

    How much difference do you get between a lite version and full version of software?

    Children are lite version of grown up human beings.

  4. samina shabnam বলেছেন:

    মানুষ মাত্রেই আত্মসম্মানবোধ আছে । আর একজন শিশু যে প্রথমে একজন মানুষ , তারপরই যে সে একজন শিশু, এই বিষয়টা আমরা কখনো চিন্তা করিনা বা আমাদের মনে থাকেনা দেখেই শিশুদের আত্মসম্মানবোধ দেখলে আমরা অবাক হয়ে যাই! শিশুর আত্মসম্মানবোধ দেখলে আমরা অনেকে surprised হয়ে যাই, আবার অনেকে ভাবি- এই শিশুটা অন্যদের চেয়ে আলাদা, আবার অনেকে আমরা তাদের এভাবে অবজ্ঞাও করি – একটুখানি ছেলে! নাক টিপলে দুধ বেরহয় ! তার আবার কত দেমাগ! – অথচ এটা খুবই স্বাভাবিক যে সব শিশুদেরই আত্মসম্মানবোধ থাকবে যেহেতু তারাও মানুষ এবং তারাও বড়দের মতই সম্মান পাওয়ার যোগ্য ।দুঃখের বিষয় হল, আমরা শুধু শিখে এসেছি – ছোটরা বড়দের সম্মান করবে কিন্তু বড়দেরও যে ছোটদের সম্মান করা উচিত, এই শিক্ষাটা আমরা পাইনি! তাই আমরা শিশুদের সম্মান করতেও জানিনা। আমরা আমাদের সমাজে দেখি শুধু ছোটরাই বড়দের সালাম দেয় অথচ বড়দেরও উচিত শিশুদের বেশি বেশি সালাম দেওয়া ( আমাদের প্রিয় নবী ছোটদের সালাম দিতে নির্দেশ দিয়েছেন) এবং তাদের কথাকে গুরুত্ব দেয়া , তাদের প্রতি সম্মানের সাথে আচরন করা যেহেতু তারাও সম্মানিত !

    • Shiblee বলেছেন:

      ঠিক তাই, আমরাতো অনেকেই আমাদের সন্তানকে দাম দেয়া শুরু করি যখন বারংবার ক্লাশে ১ম বা ২য় স্থান অধিকার করে বা ৫ম বা ৮ম শ্রেনীতে বৃত্তী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয় বা s.s.c পরীক্ষায় টপ রেজাল্ট করে। তার আগে পর্যন্ত সন্তান হলো “নাক টিপলে…” ঐ রকম অবস্থার কেউ।

      সালাম নেয়া দেয়া নিয়ে অবশ্যই একটু বলতে চাই কারন আমি সেটা আমার জীবন থেকেই শিখেছি। আবার বিগত একটা লেখায় অলরেডি সালাম নিয়ে কিছু কথা বলেছিলাম “শিশু সন্তানকে নম্রতা শেখানো“-র ২য় পাতায় আর “১০ বার নয়, ১০০বার নয়, মাত্র ১বার বলুন/করুন“। আমার বাচ্চাদের শূন্য বয়স থেকেই ওদেরকে সালাম দিয়ে আসছিলাম। আর সম্ভবত ওদের ৫ বছর বয়সের মধ্যে ৩-৪ বার বলে ফেলেছিলাম সালাম দিতে (তাও হয়তো সেটা মুখ ফসকে)। যাই হোক, এখন ওদের আগে আমি সালাম দিতে পারিনা। ওরাই আমাকে আগে সালাম দেয়। আগে যেখানে অফিস থেকে এসে আমি লম্বা করে সালাম দিতাম। এখন উল্টা ওরা দুজন আমাকে দু’দুটো সালাম দিয়ে দেয় আমি মুখ খোলার আগেই।

      তাহলে দেখা গেলো যে মাত্র ৫ বছর বয়সেই একটা ভালো কাজকে পরিপূর্ণতার সাথে শেখানো সম্ভব। তাহলে এই ৫ বছরেই আসলে আমরা আরো শতশত সুঅভ্যেস আর ভালো কাজ শেখাতে পারবো, তাই না?

      আশা করি আমরা জাতীগত ভাবেই এই বিষয়টি একদিন বুঝবো আর সেইভাবে আমাদের শিশুদের গড়বোই গড়বো।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s