আপনার শিশুকে বেশি জ্ঞান দেবেন না

যারা শিশু বিষয়ক আমার লেখাগুলি নিয়মিত পড়ছেন তারা নিশ্চই ক্ষেপে গেছেন শিরোনাম দেখে। হয়তো মনে মনে বলছেন, “শিবলী ভাই, আপনার লেখার দুই একটা ভালো কমেন্ট করেছি বলে কি শিশুদের নিয়ে যা খুশি তাই বলবেন? আরে আমরা আমাদের সন্তানকে ভালো শিক্ষা আর জ্ঞানে জ্ঞানী করার জন্য কতো কিছু করি! ভালো স্কুলে ভর্তীর জন্য যুদ্ধু করি, ভালো কোচিংগুলোতে সকাল বিকাল পড়াই, ভালো শিক্ষক খুঁজে বেড়াই, উন্নত নোট পড়াই, নানা ধরনের অডিও ভিজুয়্যাল সেশন করাই, শুধুই যেন আর সবার চাইতে ______। আর আপনি বলছেন বেশী জ্ঞান দেবো না? বোকা বানিয়ে রাখবো নাকি? ধুরু, আপনার লেখা আর পড়বই না…” প্লীজ্‌ একটু শান্ত হোন, আমি বরং একটু ঝেড়েই কাশি, নইলে আমাকে ভুল বুঝবেন।

ভালো কথা, আমি অনুরোধ করবো যাদের সন্তানের বয়স -১ থেকে শুরু করে ৫-৬ কিংবা ৮ পর্যন্ত, তারা দয়াকরে পড়ুন। আর বরাবরের মতো এই বিষয়টির পডকাষ্ট শুনতে এখানে ক্লীক করুন। এবার আসল কথায় আসা যাক। আমি বিস্তারিত কিছু বলার আগে বরং দুটি কথোপোকথন পড়ুন। সুনাতা তার বাবার কাছে গিয়ে বলে,
সুনাতা: আব্বু, গাছ হয় কেমন করে?
জ্ঞানী আব্বু বলেন: ও…ও…ও তোমার জানতে ইচ্ছে করছে, গাছ হয় কেমন করে? আসো বলি তবে। মনোযোগ দিয়ে শুনবে কিন্তু। আমরা যে ফল খাই, সেই ফলের ভেতর বীচি থাকে না? সেই বীজের ভেতরে থাকে ছোট্ট একটা গাছ। বীচিটা আমরা মাটিতে পুঁতে দেই, ধীরে ধীরে সেখান থেকে গাছ বের হয়। আর গাছটা কোথা থেকে খাবার পায় জানো? এর শেকড় দিয়ে মাটি থেকে চুষে চুষে পানি খায়, খাবার খায়। আর সূর্য্য থেকে আলো নেয়। সেই আলো গাছের পাতায় লাগে আর সেই পাতাও খাবার বানায়। গাছ আমাদের খুব ভালো বন্ধুও কিন্তু। গাছ আমাদের অক্সিজেন দেয় আর আমরা সেটাই নিশ্বাস নেই, গাছ ছায়া দেয়, ফল দেয়, কাঠ দেয়…… (এভাবে চলতে থাকে)

পাঠক, এবার বলুন উপরের কথাগুলি পড়তে কেমন লাগলো? ভালোইতো, তাই না? আপনারা যারা ভাবছেন যে আমি পরামর্শ দিতে চাইছি যে উপরের মতো করে জ্ঞান দেবেন তবে ভুল ভাবছেন। বরং আমি বলতে চাইছি মোটেও এভাবে সকল জ্ঞান দেবেন না আপনার কৌতুহলি সন্তানকে। কেন ওভাবে জ্ঞান দেবোনা শিবলী ভাই? ওয়েল, ওভাবে জ্ঞান দেবেন না কারন তাতে আপনি আসলে আপনার সন্তানের সকল কৌতুহল মিটিয়ে দিচ্ছেন খুব সহজে এবং তার চিন্তা করার ক্ষমতা, আবিষ্কার করার ক্ষমতা, আরো গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করার ক্ষমতা নষ্ট করে দিচ্ছেন। কি বলেন শিবলী ভাই, এভাবে detail বললেই কি একটা শিশুর চিন্তা আর আবিষ্কার করার ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায় নাকি, যত্তো সব ফালতু কথা? দেখুন পাঠক, একটু ফালতু হলে হতেও পারে কিন্তু আমি পরামর্শ দেবো আপনার শিশু সন্তানকে সকল বিষয়ে এভাবে detail ব্যাক্ষ্যা করবেন না (অন্তত ওর অল্প বয়সে)। বরং তাকে একটু একটু করে clue দিন আর দেখুন সে আরো চিন্তা করে অধিক প্রশ্ন করে কিনা। তাকে আরো ভাববার সুযোগ করে দিন। প্রশ্ন করার সুযোগ করে দিন। সে যেন আরো গভীর চিন্তা করে। হতে পারে আপনার একটু একটু clue তে সে ভীন্ন কিছুও চিন্তা করে ফেললেও ফেলতে পারে যা বাস্তব নয় কিন্তু তাতে আপনি বিচলিত বা বিভ্রান্ত হবেন না। আমার পরামর্শ অনুযায়ী কথাবার্তাগুলি এমন হতে পারতো।
– গাছ হয় কেমন করে, আব্বু?
– গাছ হয় বিচি থেকে।
– বিচি থেকে হয়! ও আমরা যে ফল খাই, ওটার ভেতরে বিচি থাকে সেই বিচি থেকে হয়?
– হুম্‌ সেই বিচি থেকেই হয়।
– বিচিরতো হাত পা নেই তবে মাটির কাছে কেমন করে যায়?
– সত্যিইতো মজার কথা! যদিও বিচির পা নাই তাও যেতে পারে। আসলে, আমরা মানুষরাই বিচিগুলোকে মাটিতে লাগাই। কৃষক বিচি নিয়ে জমিতে লাগায়।
– তাই? তাহলে ঐ বাসার কোনায় কেন একটা গাছ হলো? ওখানেও কি কৃষক গিয়ে বিচি লাগিয়েছে?
– উম্‌… ঐটা মানুষ লাগয়নি। ওটা মনে হয় পাখি লাগিয়েছে।
– পাখিও গাছ লাগায়? ও বুঝতে পেরেছি, পাখি গাছ থেকে ফল খায় আর বিচিটা ঠোঁটে নিয়ে বাসার ছাদে ফেলে দেয়, তাই না আব্বু?
– হুম্ অনেকটা তাই। আবার মজার একটা কাজও হয়। পাখি ফল খায় কিন্তু সব ফলের বিচি হজম হয়না। যখন পাখি হাগু করে, তখন ওখানেও গাছ হতে পারে।
– (খিল্‌ খিল্‌ করে হাসতে হাসতে) ও তাই, পাখি পুত্‌ পুত্‌ করে হাগু করে আর হাগুতে বিচি থাকলে সেখানেও গাছ হয়? পাখিতো হাগু করবেই, তা না হলেতো পাখির পেট থেকেই গাছ হবে, তাই না আব্বু?
– (হাসতে হাসতে) না, তা না। পেটের ভেতর কখনই গাছ হয়না সোনা।
– কিন্তু এই ছোট্ট বিচির ভেতের এতো বড় গাছ কেমন করে থাকে?
– হুম্‌ খুব চিন্তার বিষয়! তুমি যখন তোমার আম্মু পেটের মধ্যে ছিলে তখন কি এতো বড় ছিলে? তখনতো এই এতুটুকু ছিলে।
– ও-ও-ও, ছোট বিচির ভেতর ছোট গাছ থাকে আর বিচি থেকে বের হয়ে ধীরে ধীরে আমাদের মতো বড় হয়।
(এভাবে চলতে থাকতে পারে আমাদের কথাবার্তা। আর এভাবে সে এক বিষয় থেকে নানা বিষয়ে জাম্প করতে পারে। যাই হোক, আমি পরামর্শ দেবো, সময় করে একটু পডকাষ্টটিও শুনুন, সেখানে উপরোক্ত কথাবার্তা আরো প্রানবন্ত আকারে প্রকাশ পেয়েছে।)

প্রতিটি শিশুর মাঝেই আছে অনেক কৌতুহল। পৃথিবীর সকল বিষয়ে তাদের কৌতুহল। নানা প্রশ্ন তাদের মনে জানে। সকল কিছুই জানতে চায়। সকল বিষয় জানানোও আমাদের দ্বায়ীত্ব। কিন্তু detail জানাবেন না। তার চিন্তার খোরাক দিন। তাকে সমস্যা বের করতে দিন। ভাবতে দিন তার সমাধান। যদি সেটা করেন তবে সেটা হবে তার প্রতি অনেক বড় একটা উপকার করা।

আশা করি আমার পরামর্শ আপনারা বুঝতে পেরেছেন। কিন্তু যদি আপনি মনে করেন যে আপনার বাচ্চার ম্যাচ্যুরিটি অনুযায়ী ডিটেইল বলার পরও তার অনেক কিছু চিন্তা করার অবকাশ থেকে যাচ্ছে এবং সে চিন্তা করতেও পারে সেক্ষেত্রে ভিন্ন কথা। মোট কথা তাকেই চিন্তা ভাবনা করতে দিন। যদি দেখেন যে অল্পঅল্প ক্লু দেবার পরও সে যথেষ্ট চিন্তা করতে পারছে না, তবে তখন নিজ গরজে আরো একটু বেশী তথ্য দিন এবং এভাবে ক্রমে ক্রমে তাকে সমস্যা নিয়ে ভাবতে দিন, চিন্তায় ফেলে দিন। আমি যেভাবে উদাহরন দিলাম সেটাকেই লিমিট ধরবেন না। বরং আপনার সন্তানকে বুঝুন। বুঝুন তার মেধা ও ম্যাচ্যুরিটি। তারপর আপনিই সিদ্ধান্ত নিন যে কতুটুকু বললে তার জন্য ক্লু আর কতুটুকু বললে বিস্তারিত বলা হয়ে যাবে। মোট কথা দুজনের কথাবার্তাটা যেন চালু থাকে। শুধুই যেন একপাক্ষিক কথা বলা না হয়ে যায় (যা প্রথম উদাহরনে দিয়েছি)।

আপনার সন্তান বিষয়ে কোন প্রশ্ন করতে এখানে ক্লীক্‌ করুন।

ছবি: ইন্টারনেট থেকে।


যদি এই লেখার বক্তব্য ভালো লেগে থাকে এবং যদি প্যারেন্টিং বিষয়ে আরো আলোচনা করতে চান তবে Facebook Group-এ যোগ দিন। এই গ্রুপে আমরা প্রধানত বাংলায় আমাদের সন্তানদের নানা সমস্যা নিয়ে আলোচনা করে থাকি।


আর যদি হাতে একটু সময় থাকে ২-৪-৫-১০ মিনিটের কিছু ছোট ছোট video clip দেখবার তবে অবসরে চা/কফি খেতে খেতে আমার YouTube Channel টি ভিজিট করতে পারেন। আমার বিশ্বাস এই Channel টির অধিকাংশ video clip আপনার পছন্দ হবে।


No reproduction of this article may be made including electronic or paper reproduction without the express written consent of the author.

This entry was posted in কথা বলা, শিশু, শিশুরযত্ন. Bookmark the permalink.

আপনার শিশুকে বেশি জ্ঞান দেবেন না-এ 7টি মন্তব্য হয়েছে

  1. ijack বলেছেন:

    ধন্যবাদ, অনেক ধন্যবাদ, শিশু বিষয়ক সবগুলো লেখা পড়লাম, একটা একটা করে MS Wordএ পেষ্ট করে সাজিয়ে নিলাম। পেপার শেষ, পরে প্রিন্ট করব। লেখাগুলেযে আমার কতটা দরকারি তা আপনি না জানারই কথা। যাইহোক, আপনার আরও একটু সাহায্য দরকার, আমার বড়আপু, দুই মেয়ে, সপরিবারে সৌদীআরাব ছিল ৫ বছর। এখন দেশে থাকবে এটাই শেষ সিদ্ধান্ত। বড় মেয়ে ক্লাস এইটে ভর্তি করাল ছোটটা ক্লাস থ্রী। বিদেশের বাড়ীতে ৫বছর উভয়ের পড়াশোনা বন্ধ ছিল। ৫ বছর পর আমি দুজনকে দেখে অবাক, প্রানচঞ্চল যে মেয়েটি সারা বাড়ী মাতিয়ে রাখত, এখন তাকে দেখলে মনে হয় সর্বদাই আতঙ্কিত।

    তার মায়ের কাছ থেকে জানলাম- এটা হল অতিরিক্ত শাসনের ফল। আমি ভাবতেই পারিনা একটা মানুষ কিভাবে একটা ১৪বছরের বালিকার ওপর এতটা শারিরিক শাস্তি দিতে পারে, এর পাশাপাশি মানষিক নির্যাতন হুমকি ধমকিতো আছেই। নিজের মেয়ের উপর এতটা নির্দয়!!! সত্যতা যাচইয়ের জন্য আমাকে পিঠের কাপড় সরিয়ে দেখানো হলো। সমস্ত পিঠে নীল চোপ চোপ দাগ জমে আছে। কোথাও কোথাও দগদগে ক্ষত, এই শাসনের কারন হলো- সে জানালা দিয়ে টিস্যু পেপার বাইরে ফেলেছিল। ওর আতঙ্কিত চেহারার দিকে তাকিয়ে আমারও এই অবস্থা। বুঝলাম দীর্ঘ ৫ বছর তার উপর এ অত্যাচার করা হয়েছিল। জিজ্ঞেস করলাম: তুমি ভয় পাচ্ছ কেন? উত্তর দিল: মামা তোমাকে যে এগুলো দেখিয়েছি এজন্য আমাকে আবার মারবে।

    ওর বাবাকে কঠিন ভাষায় সাবধান করে দিলাম। কয়েকদিন মারামারি বন্ধ ছিল। কাজ হলো না… কিছুদিন আগে আবার দেখলাম ওর হাতের কব্জিতে বেশ কিছু জায়গাজুড়ে দগদগে ঘা হয়ে আছে। জিজ্ঞেস করলাম: কি হয়েছে ওখানে? জবাব দিল: ঘড়ি পরার কারনে ইনফেকশান হয়েছিল। জানলাম কোন চিকিৎসা দেয়া হয়নি।

    আমি আসার সময় ভাগ্নিটি আমাকে বলেছিল- মামা তুমি চলে গেলে আব্বু আমাকে মেরে ফেলবে। আমাকে বড়ি থেকে বের করে দিবে।
    ওকে অভয় দিলাম: বললাম তেমার আববু কথা দিয়েছে আর মারবে না।

    যইহোক, গতকাল ফোনে কথা বলার সময় বলল:
    : মামা তোমার কাছে একটা কথা বলব প্লিজ প্রমিজ করো কারো কাছে বলবে না।
    : ঠিক আছে কাউকে বলব না।
    : তুমি আমার হাতে যে ঘা দেখেছিলে সেটা ইনফেকশান ছিল না। আমি ঐদিন বিকালে হোমওয়ার্ক না করে ঘুমিয়েছিলাম- তাই আব্বু আমার দুই হাত পিচমোড়াকরে শক্ত রশি দিয়ে বেঁধে রেখেছিল। এরপর একটা sms পাঠিয়েছিল: Mama, I have knocked under! Nobody likes me. Everyone hates me. I have no friend in the earth. Nobody loves me:-(

    আমি স্তব্দ হয়ে গেলাম। আদিম বর্বর শাস্তি চিন্তা করে শিউরে উঠলাম।

    বুঝতেছিনা কি করতে পারি। কিভাবে ওর বাবার মগজ ধোলই করব। ক্ষতিকর দিকটা কিভাবে বোঝান যায়।

    • Shiblee বলেছেন:

      আইজ্যাক ভাই, আপনার মেইলে বিস্তারীত লিখেছি। দয়া করে আপডেট দেবেন ইমেলেই।

      • Samina Shabnam বলেছেন:

        Shiblee vai Assalamualykum!
        I am working for child care and development . I like your posts and many times ,I used that as our study materials. Today, I want to share one of my thought.
        Ok, we ,the 15 crore people of Bangladesh has gone tired,spoiled,hopeless!! Let them go to astray!!! but with the passage of time, another 15 crore new people are going to generate who are absolutely fresh!!highly potential!! If we are able to bring them up in the MOST IDEAL WAY, one day Bangladesh will be filled with 15 crore precious human!! Consequently, Bangladesh will be the most richest and most developed country of the world! It is not a very long journey! It is very easy to calculate! and it is not impossible if we try heart and soul! So , why we are not trying this golden opportunity rather than saying ‘there is no future of our country’, ‘we are burdened with people’ etc??

        • Shiblee বলেছেন:

          Wa-alaimum-assalam Samina aapu,
          It is my pleasure to know that you liked my posts and also use those a your study materials. Well, honestly, I also do feel that most of our places are occupied by corrupted peoples. Specially leading positions are mostly corrupted. Yes, we have HIGH POPULATION and we always considered that as our bad side. We never tried to make this HIGH population into asset. Honestly, I also don’t have hope on our current leaders. We’ll have to make our own leaders, we’ll have to build our own leaders, someone from us will have to be leader NOT someone from them.

  2. samina shabnam বলেছেন:

    আমিও সেই স্বপ্নই দেখি। সেজন্যই আমি আমার ছেলের নাম রেখেছি ‘Faizan Ruzbihan’, সংক্ষেপে এর অর্থ ‘great leader’…।
    child psychology নিয়ে আমি নিয়মিত study করছি। অনেক scholar দের article পড়ার পাশাপাশি child development এর উপর আমি ইসলাম এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ Guideline পেয়েছি। আপনি অনুমতি দিলে আমি আপনার e-mail address এ ওগুলো forward করতে পারি, উদ্দেশ্য – আমরা যারা child behaviour/development নিয়ে ভাবছি এবং কাজ করছি, তারা আমাদের সব knowledge গুলো একত্রিত করে বাচ্চাদের build up এর সঠিক way গুলো খুঁজে বের করবো এবং আমরা সম্মিলিত ভাবে আমাদের বাচ্চাদের সেভাবে গড়ে তুলবো। সাথেসাথে অন্যদেরও তা জানাব এবং তাদের বাচ্চাদেরও সঠিক নিয়মে build up করতে সাহায্য করবো। এভাবেই আমরা পুরো জাতির জন্য ideal ভবিষ্যৎ কর্ণধার গড়ে তুলতে পারবো।

    • Shiblee বলেছেন:

      ব্লগের মাধ্যমে আপনার সাথে পরিচিত হয়ে সত্যিই খুব ভালো লাগছে। সত্যিইতো, আমরা সকলেই আমাদের সন্তানদের নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখি। কিন্তু আমরা কতোজন আসলেই সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রুপ দেবার জন্য সন্তানদের সঠিক guideline দিচ্ছি? আপু, আমার ইমেল shiblee.mehdi@জিমেল.com (জিমেল বাংলায় লিখেছি যেন spammer আমার ইমেল না পায়। জিমেলের স্থানে gmail লিখুন।) যাই হোক, আমিও চেষ্টা করছি শিশুদের নিয়ে লেখা পড়া করতে ও যতোটা পারি ওদেরকে সঠিক guideline দিতে। আপনি যে উদ্দেশ্যর কথা জানিয়েছেন, আশা করি আমরা সকলে মিলে সেই উদ্দেশ্যকে আরো দ্রুতগতিতে বাস্তবে রুপ দিতে পারবো। হয়তো আমরা পারিনি সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে, কিন্তু পারবে আমাদের শিশু সন্তানরা।

  3. samina shabnam বলেছেন:

    Thank you Shiblee vai! Amaro khub valo lagche apnar shathe porichito hote pere. Karon ami chotobela thekei shopno dekhtam, amar moto chinta jara kore, oder ami khuje ber korbo r shobai mile ekta group howe giwe amra amader chintagulo bastobe ruup debo! Ami shei cheshta korejachhi….but eikotha shotto je , amader shomaje gothonmulok chinta-vabna kore ebong sheionujawi kaj kore , erokom manusher shonkha khubi kom….omulok chinta-vabna kore r sherokom kaj kore , emon manusher shonkha onek beshi….
    Anyway, ami apnar e-mail e kichu study materials forward korechi jekhane apni dekhte paben , bachhader shathe behave er bepare Islam ki bole ebong bachhader build up niwe kichu guruttopurno guidelines….Vediota Bangladeshe ami jader forward korechi tara onekei boleche, internet slow howate naki dekheni …but ami asha korbo apni ota dekhben. Ami feel korechi, egulo amader asholei jana dorkar!
    Apni hoyto amar chewe onek beshi gaan rakhen tobuo ami majhe majhe amar onek study materials apnar shathe share korte chai. Karon ektai, amra jara eki bishowe gothonmulok chintavabna korchi ebong ta bastobawone kaj korar cheshta korchi, tara jeno shobai eki shutre gethe jai!

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s