নিজের ফরজ অন্যকে দিয়ে দেয়া

ছোট বেলা থেকেই দেখে আসছি আমাদের দেশ থেকে যারা হজ্ব করতে যান তারা সাধারনত বুড়ো-বুড়ি ধরনের হয়ে থাকেন। বড় হবার সাথে সাথে জানতে পারলাম অনেক যুবকও হজ্ব করে তবে তারা বাংলাদেশী নন। আমি দেখেছি আমাদের দেশে এক ধরনের চর্চা আছে যে যুবক সন্তান তার বুড়ো বাবা-মাকে হজ্ব করাতে পাঠায়। কিন্তু তার বাবা তার যুবক বয়সে হজ্ব করার কথা চিন্তাও করেনি অথচ তখনও হয়তো তার উপর হজ্ব ফরজ ছিলো। আবার এখন দেখা যাচ্ছে এই যুবক সন্তানটির উপর হজ্ব ফরজ হয়েছে অথচ সে তার ফরজ হজ্ব আগে আদায় না করে তার বাবাকে হজ্বে পাঠাচ্ছে। কিন্তু হয়তো এখন তার বাবার উপর হজ্ব আর ফরজ নেই।

আমাদের সামাজিক আর ধর্মীয় চিন্তাটাও এমন পর্যায়ে চলে গেছে যে যদি কোন যুবক সন্তান তার মা-বাবাকে হজ্ব না করিয়ে নিজে আগে হজ্ব করে তবে তাকে সুসন্তান হিসাবে দেখা হয়না। এমনকি ঐ যুবক সন্তানটাও বুঝতে পারছে যে তার ফরজ হজ্ব আগে আদায় করা দরকার কিন্তু সেটা সে তার মা-বাবাকে বলতেও পারবে না, এমন একটা অবস্থায় আমরা অবস্থান করছি।

হয়তো আরো কয়েক বছর লেগে যাবে এই বিষয়ে স্পষ্ট ধারনা সমাজে প্রতিষ্ঠিত হতে। হাজার হলেও অনেক যুগের চিন্তা চেতনা এতো সহজে পাল্টাবে না।

This entry was posted in ধর্ম and tagged , . Bookmark the permalink.

নিজের ফরজ অন্যকে দিয়ে দেয়া-এ একটি মন্তব্য হয়েছে

  1. selim বলেছেন:

    The average age of Bangladeshi hazis are very high. other country has a different coulture, they perform this when they are young and fit.

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s